
নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে হজ ও উমরাহ সেবা উন্নয়ন ও সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রী ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহ এবং বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়েকোবাদ) অংশ নেন।
সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) সৌদি আরবের মদিনায় কিং সালমান আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে হজ ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরবের অগ্রগতির প্রশংসা করে বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রী বলেন, পবিত্র দুই মসজিদের খাদেম বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ এবং ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে হজ ও উমরাহ ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত হয়েছে। এজন্য তিনি সৌদি সরকারকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ। পারস্পরিক আস্থা ও ধর্মীয় বন্ধনের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং হজ-উমরাহসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে হজ ও উমরাহ যাত্রীদের কল্যাণে একটি লিখিত প্রস্তাবনা সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এর আগে বৈঠকে যোগ দিতে কিং সালমান আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে পৌঁছালে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রীকে স্বাগত জানায়।
বৈঠক শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সৌজন্য উপহার তুলে দেন ধর্মমন্ত্রী। জবাবে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীও শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করেন।
এসময় ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন, সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি মিনিস্টার (আইসিডি) ড. আল হাসান ইয়াহিয়া আল মানখারা, অতিরিক্ত সচিব মোঃ আয়াতুল ইসলাম, জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, কাউন্সিলর (হজ) মোঃ কামরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, তৃতীয় উমরাহ ও ভিজিট ফোরামে অংশ নিতে বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রী বর্তমানে সৌদি আরব সফরে রয়েছেন।