
প্রবাস ডেস্ক: রাজনীতিতে হতাশা ও আশা। ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে অনেক পরিবর্তন হওয়ার কথা ছিল। এক্ষেত্রে জাতীয় নেতৃত্বের মাঝে সবচেয়ে বেশি প্রেকটিস হওয়ার কথা ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও উদারতার। কিন্তু বাস্তবতা অনেকটাই বিপরীতমুখী।
রাজনৈতিক হরেকরকম বাণিজ্য আর নিজস্ব বলয় তৈরির মানসিকতা অধিকাংশের চরিত্রেই দৃশ্যমান। সেবার পরিবর্তে শোষক হয়ে উঠার অসম প্রতিযোগিতা। প্রশাসন ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের যে হাল ফ্যা’সি’স্ট সরকার করে গিয়েছে, তা পঙ্গুত্ব অবস্থায় কাতরাচ্ছে। আমলাতন্ত্রের বেড়াজালে অসহায় সব পলিসি ও সিস্টেম।
উপরে যা বললাম, হতাশ না হয়ে উপায় নেই। কিন্তু আশাবাদী হওয়াই বিশ্বাসীদের বৈশিষ্ট্য। সবচেয়ে বড় আশার দিক হলো- জুলাই অভ্যূত্থানের স্পিরিট লালনকারী একটা বিপ্লবী প্রজন্ম তৈরি হয়েছে। অনেকটা সুপ্ত আগ্নেয়গিরির মত। তারা সব দেখে। অবজার্ভ করে। মাঝেমধ্যে কিছু বলে। কিন্তু অধিকাংশ সময় চুপ থাকে। তারা আপেক্ষিক প্রতিক্রিয়ায় অভ্যস্ত। সময়ের প্রয়োজনে তারা সবই করতে পারে।
গত পনের বছর এই প্রজন্ম অনেক কিছুই দেখেছে। দুনিয়ার অন্যতম ফ্যা’সি’স্ট হা’সি’নাকে সুযোগ দিয়েছে। ধৈর্য্যের সাথে সব সহ্য করেছে। জাস্ট মোমেনটামের অপেক্ষায় ছিল। এরপর যা হওয়ার তাই হয়েছে। লাল কার্ড।
আগামীদিনের রাজনীতিবিদদের প্রতি প্রজন্মের আহ্বান হচ্ছে- হাসিনা যা করেছে তার নূন্যতম যদি আপনাদের সাথে মিলে যায়। হোক সেটা চিন্তায় কিংবা কর্মে। তাহলে হলফ করে বলতে পারি, বেশিদূর যাওয়া সম্ভব না। সাময়িক রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করবেন, নাকি দেশকে ভালোবেসে, জুলাই স্পিরিট ধারণ করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিবেন সেটা একান্তই আপনাদের এখতিয়ার। এটা নিশ্চিত করে বলতে পারি- প্রজন্ম ২৪-এর পালস না বুঝে রাজনীতি করলে আগামী দিনে খুব মুসকিলে হয়ে যাবে।
মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমীন।














