
প্রবাস বাংলা ডেস্ক: ৪০ দিনব্যাপী মাস্কাট নাইটস উৎসব, যা এক মিলিয়নেরও বেশি দর্শনার্থীকে আকর্ষণ করেছে, শেষ দিনে এসেও বিপুল মানুষের ভিড়ে জমজমাট ছিল। বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) উৎসবের শেষ দিনকে সামনে রেখে আমিরাত পার্ক ও নাসিম গার্ডেনসহ উৎসবস্থলগুলো ছিল দর্শনার্থীদের সরব উপস্থিতিতে মুখর।
উৎসবস্থলগুলোতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন, আতশবাজি, লেজার শো, নানান স্বাদের খাবার, এবং পারিবারিক বিনোদনের আয়োজন দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করেছে। এছাড়া ঐতিহ্যবাহী গ্রাম ‘হেরিটেজ ভিলেজ’, লুবান (ফ্র্যাঙ্কিনসেন্স) এবং এর পণ্যসামগ্রী, পারফিউমারি, এবং প্রতিদিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কবি-লেখকদের আলোচনা ছিল বিশেষ আকর্ষণ।
মাস্কাট নাইটস কমিটির একজন সদস্য বলেন, “এই বছরের মাস্কাট নাইটস নতুনত্বে ভরা। নতুন শিল্পী, দল এবং নতুন ধারনার মাধ্যমে এবারের আয়োজন সবার জন্য বিশেষ আনন্দের উৎস হয়ে উঠেছে।”
এসএমই-দের জন্য বড় সুযোগ
মাস্কাট নাইটস কেবল বিনোদনের জন্যই নয়, এটি ওমানের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এসএমই) জন্যও ছিল একটি বড় সুযোগ। শতাধিক ওমানি উদ্যোক্তা তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শনের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
কুরুম ন্যাচারাল পার্কে তরুণ উদ্যোক্তা লায়লা আল মাজরাফির উপহার ও অ্যান্টিক প্রদর্শনী বিশেষভাবে দর্শকদের দৃষ্টি কেড়েছে। তিনি বলেন, “আমার উদ্যোগ ওমানের প্রতীক বহনকারী উপহার এবং বিশেষ স্মারক ডিজাইনে বিশেষায়িত। এটি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।”
মাস্কাট নাইটসের ডিজাইনে এসএমই-দের জন্য বরাবরই বিশেষ স্থান রাখা হয়। তবে এবছর এসএমই খাতকে বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে এই উদ্যোগকে আরও কার্যকর করে তোলা হয়েছে।

