
নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়ার ধারাবাহিক ও নিবিড় প্রচেষ্টায় ত্রিপলী থেকে বিপদগ্রস্ত ১২৩ জন বাংলাদেশি অভিবাসীকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সহায়তায় নিরাপদে দেশে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ উপলক্ষ্যে দূতাবাস প্রাঙ্গণে চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স ও মিনিস্টার (রাজনৈতিক) কাজী আসিফ আহমেদ, প্রথম সচিব (শ্রম) ও দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তারা প্রত্যাবাসিত অভিবাসীদেরকে বিদায় জানান। এ সময় তাঁরা অভিবাসীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে দূতাবাসের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরেন।
আইওএম কর্তৃক ভাড়া করা বুরাক এয়ারের বিশেষ ফ্লাইটটি(নম্বর: UZ222) ১৮ জুন ২০২৫ তারিখে ত্রিপলীর মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিকাল ৬টা ২৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। বিমানটি ১৯ জুন ২০২৫, বৃহস্পতিবার আনুমানিক সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রত্যাবাসিত অভিবাসীরা ত্রিপলী ও আশেপাশের শহরগুলোতে অনিয়মিতভাবে অবস্থান করছিলেন এবং তাঁদের মধ্যে ২৩ জন অভিবাসী শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।
উল্লেখ্য প্রত্যাবাসিত অভিবাসীরা দুখুল বা ভিসা ছাড়া অনিয়মিতভাবে অবস্থানের কারণে তাদের নতুন পাসপোর্ট বা আউটপাসে বহির্গমন ভিসা (খুরুজ) অর্জন করা দূতাবাসের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে মান্যবর রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তারা লিবিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের সঙ্গে একাধিক বৈঠকের মাধ্যমে এসব অভিবাসীদের জন্য বহির্গমন ছাড়পত্র অর্জন করতে সক্ষম হন। বিদায়কালে দূতাবাসের পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসিত অভিবাসীদের সুস্থতা ও নিরাপদে দেশে পৌঁছানোর জন্য আন্তরিক শুভকামনা জানানো হয়।

