প্রবাসীবান্ধব উদ্যোগ: বিমানবন্দরে করতে পারবে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন

পিবিএন ডেস্ক:
বিমানবন্দরে বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয় ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ন্যূনতম কোনো সীমা নেই—এমন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। খুচরা নোট থাকা সাপেক্ষে যাত্রী ও প্রবাসীদের প্রয়োজন অনুযায়ী **যেকোনো পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা নির্ধারিত ও প্রদর্শিত মূল্যহারে ক্রয়-বিক্রয় করতে বাধ্য থাকবে বিমানবন্দরে সেবাদানকারী ব্যাংকগুলো।

প্রবাসে যাত্রার সময় অনেক যাত্রীর হাতে অল্প পরিমাণ দেশি মুদ্রা থেকে বিদেশি মুদ্রা কেনার প্রয়োজন হয়। আবার বিদেশ থেকে ফেরার সময় অনেকের কাছে থাকা অল্প পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বিক্রি করার দরকার পড়ে। কিন্তু স্পষ্ট নির্দেশনা ও তদারকির অভাবে অতীতে এ ধরনের সেবা নিতে গিয়ে যাত্রী ও প্রবাসীরা নানা ভোগান্তির শিকার হয়েছেন—এমন অভিযোগ পাওয়া যায়।

এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে বিমানবন্দরে সেবা প্রদানকারী সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক–এর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ব্যাংক প্রতিনিধিরা পূর্ববর্তী একটি সভার কার্যবিবরণী উপস্থাপন করেন, যেখানে সর্বনিম্ন ১০০ রিয়াল সমপরিমাণ অর্থ নির্ধারণের কথা উল্লেখ ছিল।

পরবর্তীতে বিষয়টি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ নির্দেশনায় বৈদেশিক মুদ্রা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হলেও ন্যূনতম কোনো সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।

এ বিষয়ে গুরুত্ব অনুধাবন করে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক জরুরি সভা আহ্বান করেন। সভা শেষে লিখিতভাবে জানানো হয়, বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয়ে কোনো ন্যূনতম সীমা নেই এবং খুচরা নোট থাকলে যেকোনো পরিমাণ মুদ্রা লেনদেন করতে হবে।

সিদ্ধান্ত কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যাংকের ম্যানেজারদের সঙ্গে নিয়ে বিমানবন্দরের প্রতিটি ব্যাংক বুথ পরিদর্শন করা হয়। দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও সেবা গ্রহণকারীদের এ বিষয়ে অবহিত করা হয় এবং প্রতিটি বুথের সামনে দৃশ্যমানভাবে নোটিশ টানানো হয়েছে

একই সঙ্গে ব্যাংক ব্যবস্থাপকদের বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ প্রত্যাশা করছে, এখন থেকে বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত সেবা নিতে গিয়ে আর কোনো যাত্রী বা প্রবাসী হয়রানি বা সমস্যার সম্মুখীন হবেন না।

বিমানবন্দরে কোনো বৈধ সেবা পেতে সমস্যায় পড়লে যাত্রীদের এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সহায়তা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এয়ারপোর্ট হটলাইন: ১৩৬০০ ভালো থাকুক আমাদের প্রবাসী ও যাত্রীরা, ভালো থাকুক, আমাদের বিমানবন্দর, ভালো থাকুক প্রিয় বাংলাদেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *