প্রবাস বাংলা
শনিবার , ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আর্ন্তজাতিক
  3. কবিতা-ছড়া
  4. খেলাধুলা
  5. গল্পসমূহ
  6. চাকরির খবর
  7. জাতীয়
  8. দূতাবাস
  9. ধর্ম
  10. প্রথম পাতা
  11. প্রবাস জীবন
  12. প্রবাস নিউজ
  13. প্রযুক্তি
  14. বিশ্ব
  15. ব্যবসা

রিয়াদে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

প্রতিবেদক
প্রবাস বাংলা
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ ১:৪৬ অপরাহ্ণ

পিবিএন ডেস্ক :
সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে আজ সকালে দূতাবাস চত্বরে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ দেলওয়ার হোসেন। পরে তিনি দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় রিয়াদে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পক্ষ থেকেও শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

দিবসটি পালন উপলক্ষে দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভার শুরুতে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। পরবর্তীতে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন রিয়াদে অবস্থিত অভিবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটির জনাব হামিদুল হক শামীম, জনাব মোঃ তাজুল ইসলাম গাজী এবং ডা. এ কে এম গোলাম হাসনাইন সোহান।

সবশেষে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্যের ওপর আলোকপাত করে রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্য উপস্থাপন করেন। সকল ভাষা শহীদকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের স্বকীয়তাবোধ ও জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে, যার ফলে আমরা নিজ অধিকার সম্পর্কে সচেতন হই। পরবর্তীতে নানা ঘাত–প্রতিঘাত ও আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ইতিহাস থেকে প্রমাণিত—বাংলাদেশের মানুষ যখন কোনো ন্যায্য বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করে, তখন অবশ্যম্ভাবীভাবেই সাফল্য অর্জিত হয়। তিনি সৌদি আরবের প্রাসঙ্গিক বাস্তবতা তুলে ধরে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষ সৌদি আরবের মানুষের সঙ্গে কাজ করতে করতে তাদের অন্দরমহল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।

তিনি প্রবাসে বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা ও সততার সঙ্গে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ‘বাংলাদেশ’ নামটি একটি দক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য জনগোষ্ঠীর দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে এবং এর ফলে আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির আরও প্রসার ও সমৃদ্ধি ঘটবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পরিশেষে তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের অদম্য চেতনাকে ধারণ করে প্রবাসীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মাধ্যমে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ - জাতীয়