
স্টাফ রিপোর্টার: উজবেকিস্তানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস আজ (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) যথাযথ মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে।
দিবসের কর্মসূচির সূচনা হয় রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম কর্তৃক জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মধ্য দিয়ে। পরে প্রবাসী বাংলাদেশি, উজবেকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্রদূত দূতাবাস প্রাঙ্গণে অস্থায়ীভাবে নির্মিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে মহান ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইউনেস্কো কর্তৃক ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান বিশ্বের সব মাতৃভাষা সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং বিভিন্ন ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্পর্ক, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করছে।
বিশ্ব শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি অর্জনে ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ধারণ, প্রচার ও বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এছাড়া বাংলাদেশ দূতাবাস ও তাসখন্দ ডিপ্লোম্যাট ইউনিভার্সিটি-এর যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করা হয়। এতে উজবেকিস্তানে নিযুক্ত মিশর, তুর্কমেনিস্তান ও প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রদূতসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর, অধ্যাপক, গবেষক ও শিক্ষার্থী মিলিয়ে প্রায় শতাধিক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং বহুভাষিক ও বহুসাংস্কৃতিক চেতনা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।













