
পিবিএন ডেস্ক:
ওমানে প্রবাসজীবনের ব্যস্ততার মাঝেই গড়ে ওঠে এক ভিন্নধর্মী প্রেমের গল্প। কর্মসূত্রে ওমান-এ অবস্থানরত এক বাংলাদেশি যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয় শ্রীলঙ্কার এক তরুণীর। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব, আর সেই বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে রূপ নেয় গভীর সম্পর্কে।
দীর্ঘদিন একে অপরকে জানাশোনার পর তারা জীবনের বাকি পথ একসঙ্গে কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন। প্রেমের টানে শ্রীলঙ্কান তরুণী ইসলামের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন এবং পরে স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ধর্মান্তরের পর নতুন নাম গ্রহণ করে তিনি এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন।
ভাষা ও সংস্কৃতির ব্যবধান পেরিয়ে ভালোবাসার টানে বাংলাদেশে এসে ইসলাম গ্রহণ করে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন শ্রীলঙ্কার এক তরুণী। ঘটনাটি ঘটেছে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নে।
জানা যায়, দাগনভূঞা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইয়াছিনের ছেলে এজাজ আহমেদ শিহাব ও শ্রীলঙ্কান নাগরিক ইশারা মাট্টি ওমানের একটি টেক্সটাইল কোম্পানিতে সহকর্মী ছিলেন। একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তাদের পরিচয় গড়ে ওঠে, যা ধীরে ধীরে গভীর প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। প্রায় তিন বছর সম্পর্কের পর তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।
ওমানে বিয়ের আইনি জটিলতার কারণে দুজনই নিজ নিজ দেশে ফিরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করেন। সে অনুযায়ী গত ৩১ জানুয়ারি শিহাব বাংলাদেশে ফেরেন। পরে ২৩ ফেব্রুয়ারি ইশারা মাট্টি বাংলাদেশে এসে সরাসরি শিহাবের বাড়িতে পৌঁছান।
শিহাবের পরিবার ভিনদেশি এই কনেকে আন্তরিকভাবে বরণ করে নেয়। বাড়িতে আসার পর ইশারা মাট্টি স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ইসলাম গ্রহণের পর তার নতুন নাম রাখা হয় জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত (২৭)। পরে পারিবারিক ও ধর্মীয় রীতি মেনে ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়দের মতে, ভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির মানুষ হওয়া সত্ত্বেও ভালোবাসার টানে জান্নাতের এই সিদ্ধান্ত একটি অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বর্তমানে তিনি স্বামীর পরিবারের সঙ্গে শ্বশুরবাড়িতে আনন্দময় সময় কাটাচ্ছেন।













