পিবিএন ডেস্ক : ওমানের মুলাদ্দা নামক এলাকায় রাঙ্গুনিয়ার লালানগর ইউনিয়নের এলাকা বন্দারাজার পাড়া নিবাসী রাশেদ, সাহেদ, সিরাজ ও শহিদ নামক আপন ৪ ভাই গাড়ির ভিতরে মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু বরণ করেছেন,
ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।
৪ রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের এমন মর্মান্তিক মূত্যুতে উনাদের নিজ এলাকায় এবং ওমান প্রবাসীদের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশী মালিকানাধীন আবু রায়ান পলি ক্লিনিক এর সামনে। আল মুলাদ্দা নামক একটি জায়গায়।
গাড়ির ভিতরেই ৪ জনই মৃত অবস্থায় ছিলো। গাড়ি ছিলো রাস্তার পাশে দাড়ানো এবং স্টাডিং অবস্থায়। উনারা ৪ ভাই এক সাথে একই গাড়ীতে ছিলো।
বর্তমানে ওমান পুলিশ হেফাজতে মৃতদেহ ময়নাতদন্ত জন্য রিছাইল মেলেটারি হাসপাতালে আছে, রিপোর্ট না আশা পষন্ত কিছুই বলা যাচ্ছেনা, কি ভাবে মৃত্যু হয়েছে। অনেকের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টির জানতে পারলাম গাড়ি পার্ক করা ছিল চার জনেই গাড়ি ভিতরে ছিল, এই অবস্থায়
পুলিশ উদ্ধার করে উনাদের হেফাজতে নেন।
খবর নিয়ে আরো জানা যায়, উনারা পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে মেজ ভাই বাংলাদেশে থাকেন, বড় দুইজন এবং ছোট দুজন ওমানে থাকেন, একজন থেকে নিজুয়া এলাকায়, একজন সুইক এলাকায়, দুজন বিল্লা নামক স্থানে। দুইজন আগামীকাল দেশে যাওয়ার কথা ছিল, গতকাল রাত সাতটার দিকে তারা বারখা এলাকায় ছিল, সেখান থেকে মিলাদ্দি পলি ক্লিনিক এর সামনে গিয়ে তাদের মধ্যে থেকে একজন তার চাচাতো ভাই পারভেজকে রাত ৮:২৬ মিনিটে ভয়েস এসএমএস পাঠান, আমরা খুবই অসুস্থ, গাড়ির দরজা খুলতে পারছি না বলে পরে লোকেশন টি পাঠিয়ে দেয়। তার চাচাতো ভাই পারভেজ দশ মিনিট পরে কল ব্যাক করলে কোন রিপ্লাই পাইনি। মিলাদ্দা ক্লিনিকের পাশে রাত ১:৩০ মিনিটে দুইজন বাংলাদেশী একজন গ্রোসারী দোকান এবং অপরজন অটো ইলেকট্রিশিয়ান দোকানে চাকরি করে দোকান বন্ধ করে ডাস্টবিনে ময়লা ফেলার সময় গাড়িটি রাস্তার পাশে চালু অবস্থায় দেখতে পেয়ে ওরা দুজন মোবাইলের লাইট দিয়ে ভিতরে দেখতে পান দুজন সামনের সিটে বেল্ট পরা অবস্থায়, অপর দুজন পিছনের সিটে গর্দান ভাঙ্গা অবস্থায় বসে আছে তারা অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পড়ে কোন সাড়া সাধ্য না পেয়ে স্থানীয় পুলিশকে খবর দেন। রাত ২ টায় পুলিশ এসে অবস্থা বুঝতে পেরে অ্যাম্বুলেন্স কল করেন রাত তিনটায় এম্বুলেন্স আসার পর দরজা খুলে তাদেরকে মৃত অবস্থায় পুলিশ হেফাজতে নেন। প্রথমে মুলাদ্দা হসপিটালে পরে রিসাইল মিলিটারি হসপিটালে মৃতদেহ হস্তান্তর করেন।
চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সম্মানিত সভাপতি জনাব মোঃ ইয়াসিন চৌধুরী সিআইপি সাহেব সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন। উনার সাথে এলাকার লোকজন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ রয়েছেন।
আমরা চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের পক্ষ থেকে নিহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি, দোয়া করি মহান আল্লাহ যেন আমাদেরকে জান্নাতবাসী করেন আমীন।