
২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে মোট এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করার অনুমতি পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরমধ্যে সরকারিভাবে (হজ গাইডসহ) ১০ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারিভাবে এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে (হজ গাইডসহ) এক লাখ ১৭ হাজার জন হজ করতে পারবেন।
তবে এ বছর হজ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ৩০২ জন ধর্মপ্রাণ মুসল্লি সৌদি আরবে গেছেন।
এদিকে হজ পরবর্তী একজরিপে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে হজ ব্যবস্থাপনায় এ বছর প্রথম হয়েছে বাংলাদেশ। হজ শেষে সৌদি সরকার এ তালিকা প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে এজেন্সিদের সংগঠন-হাব। দেশে ফেরা হাজীরা, এবারের ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্ট। সরকারি হিসেবে, রোববার পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন প্রায় ২১ হাজার হজযাত্রী।
কেউ একমাস আবার কেউ ৪৫ দিন, প্রিয়জন ছেড়ে বের হয়েছিলেন হজযাত্রায়। উদ্দেশ্য ছিল আল্লাহর কাছে নিজেকে সপে দেওয়া আর পবিত্র কাবা তাওয়াফে ছিল ক্ষমার ফরিয়াদ।
ইসলামের ফরজ এই ইবাদত শেষে দেশে ফিরছেন হাজিরা। বিমানবন্দরে নেমে জানালেন অভিজ্ঞতা। ছিল না ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিযোগ।
হজ পালনের সময় তারা নিজের পরিবার-পরিজন, দেশ ও মুসলিম উম্মার শান্তির কামনায় আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।
এজেন্সিদের সংগঠন হাব বলছে, ভারত-পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৬ হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সৌদি আরব সরকারের প্রকাশ করা তালিকায় এবার প্রথম হয়েছে বাংলাদেশ
হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, ‘এ বছরের হজ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত সুন্দর ছিল। সৌদি আরব পর্ব এবং বাংলাদেশ পর্ব অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে নিবন্ধিত সকল হজযাত্রী হজ পালন করতে গেছেন। এটি আমাদের জন্য মাইলফলক। সৌদি আরব থেকেও বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে হজ ব্যবস্থাপনায় এবছর প্রথম স্থান অধিকার অর্জন করেছে।’
হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার বলেন, ‘সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে হজ ব্যবস্থাপনা সুন্দর করার চেষ্টা করেছি। এ বছর হজের জন্য কোনো কান্নাকাটি নাই, কোনো মারামারি নাই, টিকেটের কোনো অভাব হয়নি।’
গতবছরের চেয়ে এবার মৃত্যু হয়েছে কম হজযাত্রীর। ১৫ জুন পর্যন্ত দুই নারীসহ মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। নিখোঁজ একজন। আর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন প্রায় ৩০ হাজী।














