প্রবাস বাংলা
মঙ্গলবার , ২৮ অক্টোবর ২০২৫ | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আর্ন্তজাতিক
  3. কবিতা-ছড়া
  4. খেলাধুলা
  5. গল্পসমূহ
  6. চাকরির খবর
  7. জাতীয়
  8. দূতাবাস
  9. ধর্ম
  10. প্রথম পাতা
  11. প্রবাস জীবন
  12. প্রবাস নিউজ
  13. প্রযুক্তি
  14. বিশ্ব
  15. ব্যবসা

লিবিয়া থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি ফিরেছে দেশে

প্রতিবেদক
প্রবাস বাংলা
অক্টোবর ২৮, ২০২৫ ৫:১৭ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়ার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সহযোগিতায় লিবিয়ার মিসরাতা শহর থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। ২৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ২১ জন ছিলেন তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক এবং অবশিষ্ট ১৫৩ জন বিভিন্ন বিপদগ্রস্ত অবস্থায় মিসরাতা ও আশপাশের শহরগুলো থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁদের মধ্যে ৯ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ।

প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিরা লিবিয়ার বুরাক এয়ারের UZ222 ফ্লাইটে যোগে ২৮ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে দুপুর ২টা নাগাদ ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

মান্যবর রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার, মিসরাতায় স্বেচ্ছায় দেশে ফেরত যাওয়া অভিবাসীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁদের বিদায় জানান। এ সময় দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত অভিবাসীদের উদ্দেশে বলেন, “সকল প্রবাসীর কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দূতাবাস সবসময় কাজ করে যাচ্ছে।” তিনি সতর্ক করে আরও বলেন, অনিয়মিতভাবে বিদেশে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, যা নিজের জীবন, পরিবার ও দেশের সুনাম—সবকিছুকেই বিপদের মুখে ফেলে দেয়।

মান্যবর রাষ্ট্রদূত প্রত্যাবর্তনকারীদের আহ্বান জানান, তাঁরা যেন অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি ও এর নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখেন। পাশাপাশি দেশে ফিরে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে তিনি তাঁদের পরামর্শ দেন।

রাষ্ট্রদূত ফ্লাইট পরিচালনায় সহযোগিতার জন্য লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আইওএম-এর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দূতাবাস সূত্রে জানা যায়, পূর্বে এই অভিবাসীরা স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে দূতাবাসে আবেদন করেন। পরবর্তীতে দূতাবাস তাঁদের প্রত্যেকের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে আইওএম-এর কাছে নিবন্ধনের ব্যবস্থা করে। পাশাপাশি বহির্গমন ছাড়পত্রসহ প্রশাসনিক সব প্রক্রিয়া সম্পন্নে দূতাবাস আইওএম ও লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করেছে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে লিবিয়ায় বিপদগ্রস্ত ও আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার আরেকটি সফল অধ্যায় যুক্ত হলো।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত